হোস্টেলে থাকা মেয়েদের দেখা যায় সাধারণত একইসাথে পিরিওড শুরু হয়.. কিংবা রুমমেট বা সারাক্ষণ একসাথে থাকা বান্ধবীদেরও পিরিওড একসাথে কিংবা কাছাকাছি সময়ে শুরু হয়।
তাছাড়া জেলখানায় নারীবন্দি কিংবা আর্মিতে থাকা নারী সেনাদেরও তাই ঘটে।
তাদের পিরিওডের ডেট প্রথম দিকে ভিন্ন ভিন্ন হলেও কয়েক মাস একসাথে থাকার পর ধীরে ধীরে সবার একই বা কাছাকাছি ডেটে চলে আসে।
এটাকে "মেন্সট্রুয়াল সিনক্রনি" বলে যা ১৯৭১ সালে আবিস্কার হয়।
এক্ষেত্রে একই সাথে থাকা মেয়েদের মেন্টাল কানেকশন তাদের সবার শরীরের ফিজিওলজির উপরেও একই প্রভাব ফেলে। আবার ফেরোমেন থিওরি দিয়েও ব্যাখা দেয় অনেকে। মানুষের মন জিনিসটা সত্যি অনেক অদ্ভুত ও শক্তিশালী একটি জিনিস।
আপনি হয়তো কারো কথা খুব ভাবছেন মনে মনে। দেখা গেল ঠিক তখনই তার সাথে দেখা হয়ে গেল... কিংবা কাউকে ফোন দিবেন বলে তার নাম্বার ডায়াল করতে যাবেন, ঠিক সেই মুহুর্তেই সে আপনাকে ফোন দিল...
এগুলো কমবেশি সব মানুষের জীবনে মাঝেমাঝেই ঘটে।
আসলে, কাছের মানুষদের মাঝে অটোমেটিক্যালি এক ধরনের আত্মিক একটা যোগাযোগ তৈরি হয়।
এই জন্যই সন্তানের বিপদে মা বাবা দুরে থাকলেও টের পায়... স্বামীর কিছু হলে স্ত্রীর মন ছটফট করতে থাকে। এমনকি কাছের বন্ধুর কিছু হলে আরেক বন্ধুও সেটা বুঝতে পারে।
যারা যত মনের দিক থেকে কাছে যেতে পারে, তাদের মধ্যে এই আত্মিক যোগাযোগ তত বেশি তৈরি হয়। তাই সকল ভালোবাসা হতে হয় মন নির্ভর, শরীর নির্ভর নয়।
শরীরের সুখ সকলেই দিতে পারলেও মনের সুখ সবাই দিতে পারে না।
-----------=----------
ডাঃ তারাকী মেহেদী হাসান

0 মন্তব্যসমূহ